দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আমদানি খরচ বেশি হওয়ায় সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
রোববার (১৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা জানান।
জ্বালানি তেলের দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা বাড়ানো হলো। এতে কতটা নেতিবাচক প্রভাব পড়বে-জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্ব তাদের তেলের দাম অ্যাডজাস্ট করেছে। এমনকি আমেরিকাও ৫ ডলার বাড়িয়ে দিয়েছে। সেখানে আমরা এই যুদ্ধ লাগার পর থেকে বাংলাদেশে ইমপোর্ট করে যে স্টক তৈরি করেছি, তার যে দাম পড়েছে, সে দামের থেকে নিচেই আমরা এখন প্রাইস অ্যাডজাস্টমেন্ট করছি।
তিনি বলেন, এটা করতে বাধ্য হয়েছি আমরা। কারণ এটা বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে কিনতে হয় এবং আমরা যেন সহনীয় লেভেলে থাকতে পারি, সেই ব্যবস্থা করেছি।
দাম বাড়ানোর পর এখনো কত ভর্তুকি দিতে হচ্ছে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ভর্তুকি এখনো আছে। ইফ ইউ ওয়ান্ট অ্যাকুরেট হিসাব, তাহলে আমার মন্ত্রণালয়ে যেয়ে বসে ওখান থেকে হিসাব নিয়ে আসেন।
জীবনযাত্রায় জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সার্বিক প্রভাবটা কেমন হতে পারে জানতে চাইলে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, দাম বাড়া মানেই বিরূপ প্রভাব পড়া। এই যুদ্ধে শুধু বাংলাদেশ না, সারা পৃথিবীর প্রতি প্রভাব পড়েছে। আমাদের ওপরও সেই প্রভাব আছে।
আপনারা বলেছিলেন এপ্রিলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াবেন না- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বলেন, বলছিলাম তো, সেটা বললাম তো। বাধ্য হয়েছি আমরা এখন করতে।
কে